• দিনপ্রতিদিন বিডি.কম অনলাইন ডেস্ক

  • ১৬ এপ্রিল ,বৃহস্পতিবার, ২০২৬

কেমন চুক্তিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই নিজেকেই বিজয়ী দাবি করতে পারবে?


কেমন চুক্তিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই নিজেকেই বিজয়ী দাবি করতে পারবে?

সংগৃহীত ছবি


দীর্ঘদিনের যুদ্ধ আর রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এখন নতুন কোনো পথ খোলা নেই। যুদ্ধের ভয়াবহতা আর পাল্টাপাল্টি হামলার পর দুই পক্ষই এখন একটি শান্তিচুক্তির প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করছে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ম্যারাথন আলোচনার পর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ইরানি বন্দরগুলোতে যে অবরোধ আরোপ করা হয়েছে, তা তেহরানের অর্থনীতিকে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ওয়াশিংটন এই অর্থনৈতিক চাপকে দর কষাকষির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে এই অবরোধ কেবল ইরান নয় বরং দেশটির তেলনির্ভর মিত্র চীনের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে একটি চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। দেশীয় রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি তেলের আকাশচুম্বী দাম এবং নিজের কট্টর সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষের কারণে ট্রাম্পকে এখন একটি বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্যের মুখ দেখতেই হবে। ট্রাম্পের অস্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অদ্ভুত আলোচনা পদ্ধতি অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করলেও বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করছে যে মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থিতিশীল সমাধান ছাড়া তার সামনে আর কোনো সহজ বিকল্প নেই। যুদ্ধের ময়দান থেকে ফিরে এসে আলোচনার টেবিলে জয়ী হওয়া এখন ট্রাম্পের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান এই মুহূর্তে তাদের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময় পার করছে। টানা ৩৯ দিনের বোমা হামলায় দেশটির অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। যদিও তেহরান প্রচারণার লড়াইয়ে নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে, কিন্তু বাস্তবতা হলো তাদের মন্ত্রিসভা এবং সামরিক কমান্ডের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এখন তাদের তৃতীয় স্তরের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। যুদ্ধের ময়দানে নিজেদের উচ্চতা বাড়িয়ে কথা বললেও ১৩ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলার ক্ষত ইরানকে আলোচনার টেবিলে নমনীয় হতে বাধ্য করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতার অসুস্থতা এবং প্রকাশ্যে নেতৃত্বের অনুপস্থিতির কারণে। নতুন নেতৃত্ব হার্ডলাইনার বা কট্টরপন্থী হলেও তারা বুঝতে পারছেন, ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। ইরানের আঞ্চলিক শক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্তিমিত। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে তেহরান নিজেকে কার্যত বন্ধুহীন করে তুলেছে। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের এই ধ্বংসাত্মক আচরণে ক্ষুব্ধ, আর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান থাকলেও তাদের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে সৌদি আরবের সঙ্গে। ফলে ইরান এখন আঞ্চলিকভাবে একঘরে হয়ে পড়ার শঙ্কায় ভুগছে।

এতসব তিক্ততার মাঝেও ইসলামাবাদের আলোচনায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, হোয়াইট হাউস এবং তেহরান অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একমত হতে পেরেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষই ইতিবাচক। মার্কিন অবরোধের কারণে ইরানের নৌ-চলাচলের ক্ষমতা কমে গেলেও চীনের স্বার্থ রক্ষায় তারা এই জলপথ উন্মুক্ত রাখতে আগ্রহী। এখন মূল লড়াই চলছে চুক্তির খুঁটিনাটি এবং মেয়াদের ওপর। পরমাণু কর্মসূচি স্থগিত রাখার সময়সীমা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভেদ থাকলেও কূটনৈতিকভাবে এর একটি মাঝামাঝি সমাধান বের করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

ইরানের পরমাণু সক্ষমতা বর্তমান যুদ্ধে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাদের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখন ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। সার্বভৌমত্বের দোহাই দিয়ে ইরান এই মজুত ধরে রাখতে চাইলেও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মাধ্যমে এটি রাশিয়ায় স্থানান্তর বা অন্য কোনো উপায়ে ধ্বংস করার প্রস্তাব টেবিলে রয়েছে। এই ইস্যুটি সমাধান করা গেলে চুক্তির পথে প্রধান বাধা দূর হবে। তবে দুই পক্ষকেই এমনভাবে শর্তগুলো সাজাতে হচ্ছে যাতে নিজ দেশে তারা একে একটি বড় ধরনের বিজয় হিসেবে প্রচার করতে পারে।

ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত এই শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় অনিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করছে। ইরান চায় না তাদের আঞ্চলিক প্রক্সি বা মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে পুরোপুরি ত্যাগ করতে। বিশেষ করে লেবাননে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা এবং ইসরায়েলের পাল্টা আক্রমণ পরিস্থিতিকে প্রতিনিয়ত অস্থিতিশীল করে তুলছে। লেবানন সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি কথা বললেও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ করার ক্ষমতা তাদের নেই। ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত চুক্তিতে এই আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর ভবিষ্যৎ এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগকে কীভাবে সমন্বয় করা হয়, সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হবে এই নতুন চুক্তিটি ওবামা আমলের পরমাণু চুক্তির চেয়ে কতটা শ্রেয়। ইরানকে পরমাণু বোমা থেকে দূরে রাখা এবং তাদের আঞ্চলিক প্রভাব কমিয়ে আনার দাবি করে ট্রাম্প একটি জয় নিশ্চিত করতে চান। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো, এই বিধ্বংসী যুদ্ধ ইরানের কট্টরপন্থীদের মনে এই বিশ্বাস গেঁথে দিয়েছে যে, আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক অস্ত্র এখন তাদের জন্য আগের চেয়েও বেশি প্রয়োজন। ট্রাম্প হয়তো একটি সাময়িক চুক্তি করতে সফল হবেন, কিন্তু যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎকে এক অজানা গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সিএনএনের বিশ্লেষণ


  • উৎসর্গঃ প্রয়াত সোহেল পারভেজ ভাই (ভুয়াপুর, টাঙ্গাইল), প্রয়াত শরিফুল ইসলাম শাওন (কোলাহা, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল)
  • প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টাঃ 
  • সম্মানিত উপদেষ্টা মণ্ডলীঃ মনিরুজ্জামান খান মনির (সিঙ্গাপুর/ হেনা গ্লোবাল), আজহারুল ইসলাম (সিঙ্গাপুর/ এ টি এন ট্রাভেল),শওকত হোসেন তারেক, হেলাল উদ্দিন সিকদার, এনামুল করিম সুজন, রনক ইকরাম, আহসান কবির (কণ্ঠ শিল্পি) ।
  • বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ সামসাদ হসাইন রোজেন ।
  • কৃতজ্ঞতাঃ এ কে এম কামরুজ্জামান ভাই (ভিভিধ হলিডেজ) আতাউল হক, আতাউর রহমান মিন্টু, মেহেদি হাসান রফিক, রায়হান ফ্লেমিং (কণ্ঠ শিল্পি), প্রদীপ্ত বাপ্পি (কণ্ঠ শিল্পি), মোঃ গাজী নাজমুল নীরব, আলামগির হোসেন (বেরাইদ)।
  • আইন উপদেষ্টাঃ এড মোঃ রফিকুল ইসলাম।
  • প্রধান সম্পাদকঃ রহিম শাহ্‌।
  • প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ সামছুল আরেফিন সোহেল ।
  • সম্পাদকঃ মঈন মুরসালিন ।
  • প্রকাশক এবং প্রধান নির্বাহীঃ স্বপন মিয়া ।
  • প্রধান কার্যনির্বাহীঃ সৈয়দ আবু তাহের (আয়রন) ।
  • হেড অফ বিজনেস অ্যান্ড প্লানিংঃ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ খান মাসুম ।
  • হেড অফ কমিউনিকেশনঃ 
  • হেড অফ মার্কেটিংঃ 
  • ফিচার সম্পাদকঃ 
  • বিশেষ বিভাগীয় প্রতিনিধি (ঢাকা)ঃ সৈয়দ সরোয়ার সাদী (রাজু) ।
  • বার্তা সম্পাদকঃ রশিদ নিউটন ।
  • ক্রিয়েটিভ আর্ট ডিরেক্টরঃ মোঃ গাজী নাজমুল নীরব ।
  • সিটিওঃ 
  • বিভাগীয় প্রধানঃ গোলাম মোস্তফা তালুকদার (ঢাকা), ইয়াসিন (চট্টগ্রাম) ।
  • ঢাকা রিপোর্টারঃ ।
টানা দুই দিনে বড় দরপতন: নতুন করে আরও কমলো স্বর্ণের দাম।
রেকর্ড গড়ে ছুটছে তেলের দাম: ব্যারেল প্রতি মূল্য ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
ভালোবাসার দাবি ও পশুর হাটের ইজারা দ্বন্দ্ব: টিটন হত্যাকাণ্ডে পিচ্চি হেলালের বিস্ফোরক বক্তব্য।
হামের ভয়াবহ বিস্তার: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়াল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা: ১৩,৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন।
খাদ্য ও এনআইডিসহ ১৫ দপ্তরে নতুন প্রধান নিয়োগ দিল সরকার।
তাপপ্রবাহ শেষে ভারি বৃষ্টির কবলে দেশ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা।
অদৃশ্য শাসক মোজতবা খামেনি: ক্ষতবিক্ষত শরীর নাকি ইসরায়েলকে ফাঁকি দেওয়ার রণকৌশল।
আর থাকবে না সেশনজট! জানুয়ারি থেকেই শুরু হবে নতুন শিক্ষাবর্ষ।
মহাকাশ গবেষণায় পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিজয়: কক্ষপথে নতুন মাইলফলক।
গ্রিন বেল্ট প্রকল্পে বড় জালিয়াতি: ডিএনসিসির সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের আশীর্বাদে পার্কের জায়গায় এখন বাণিজ্যিক ফুডকোর্ট।
হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে সরানো যাবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্নে বাধা? ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র - কারা পাচ্ছেন না ভিসা?
ইরান থেকে আসছেন ৩০ হাজার হাজি, রাজকীয় অভ্যর্থনায় প্রস্তুত সৌদি।
শেষ হচ্ছে দীর্ঘ খরা; বৃষ্টির পূর্বাভাসে শীতল হবে জনজীবন।
উত্তম জীবন ও অভাবমুক্তির চাবিকাঠি: কিছু কার্যকরী দোয়া ও আমল।
ভর্তুকি ও পাচার রোধেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়, আইএমএফের চাপে নয় : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী - শেখ রবিউল আলম।
মেধানির্ভর জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য।
রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিরোধী দলের সাথে সংলাপে আগ্রহী বিএনপি।
টানা দুই দিনে বড় দরপতন: নতুন করে আরও কমলো স্বর্ণের দাম।
রেকর্ড গড়ে ছুটছে তেলের দাম: ব্যারেল প্রতি মূল্য ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
ভালোবাসার দাবি ও পশুর হাটের ইজারা দ্বন্দ্ব: টিটন হত্যাকাণ্ডে পিচ্চি হেলালের বিস্ফোরক বক্তব্য।
হামের ভয়াবহ বিস্তার: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা ৩২ হাজার ছাড়াল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা: ১৩,৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন।
খাদ্য ও এনআইডিসহ ১৫ দপ্তরে নতুন প্রধান নিয়োগ দিল সরকার।
তাপপ্রবাহ শেষে ভারি বৃষ্টির কবলে দেশ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা।
অদৃশ্য শাসক মোজতবা খামেনি: ক্ষতবিক্ষত শরীর নাকি ইসরায়েলকে ফাঁকি দেওয়ার রণকৌশল।
আর থাকবে না সেশনজট! জানুয়ারি থেকেই শুরু হবে নতুন শিক্ষাবর্ষ।
মহাকাশ গবেষণায় পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিজয়: কক্ষপথে নতুন মাইলফলক।
গ্রিন বেল্ট প্রকল্পে বড় জালিয়াতি: ডিএনসিসির সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের আশীর্বাদে পার্কের জায়গায় এখন বাণিজ্যিক ফুডকোর্ট।
হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে সরানো যাবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্নে বাধা? ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র - কারা পাচ্ছেন না ভিসা?
ইরান থেকে আসছেন ৩০ হাজার হাজি, রাজকীয় অভ্যর্থনায় প্রস্তুত সৌদি।
শেষ হচ্ছে দীর্ঘ খরা; বৃষ্টির পূর্বাভাসে শীতল হবে জনজীবন।
উত্তম জীবন ও অভাবমুক্তির চাবিকাঠি: কিছু কার্যকরী দোয়া ও আমল।
ভর্তুকি ও পাচার রোধেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়, আইএমএফের চাপে নয় : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী - শেখ রবিউল আলম।
মেধানির্ভর জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য।
রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিরোধী দলের সাথে সংলাপে আগ্রহী বিএনপি।
আজ জাতীয় ভোটার দিবস
জেনে নিন ডাকসু ভিপির বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা
তোমার কি বন্ধু মন খারাপ?
ফাইজার ও মডার্নার টিকা করোনার ভারতীয় ধরন ঠেকাতে সক্ষম!!!
সুগন্ধি গাছ কারিপাতা
আপন বোনকে বিয়ে করলো ভাই!
ছবি তোলা ও বাঘ সংরক্ষণ
লাউ চাষ
গ্রেপ্তার পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস
পবিত্র কোরআন ও আহলাল বাইতের প্রেমবন্ধন
কাপড়ের শোরুম ব্যবসার আইডিয়া!
মোবাইল নাম্বার দিয়ে কারো পরিচয় বের করবেন যেভাবে
চুলে ফুলের ছোঁয়া
"একই ছবিতে মোশাররফ করিম এবং তাঁর স্ত্রী রোবেনা রেজা জুঁই, তবে এবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে না এই দম্পতিকে"
শ্রাবন্তীর অজানা ১০ খবর
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ টিভি দেখার সময়
বাগদানের আংটি ফেরত চেয়ে আদালতে মামলা!
পাঁচ লড়াকু মেয়ের গল্প ‘ক্রিসক্রস’
শিশুর খাবারে অরুচি ও প্রতিকার
খোলামেলা পোশাকে ‘নির্লজ্জ’ সোনাক্ষী!

সব খবর