জাতীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যানঃ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬ জনে। ঢাকা বিভাগে সংক্রমণের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি, যেখানে এ পর্যন্ত ১০২ জন প্রাণ হারিয়েছে। এরপরই রয়েছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে মৃতের সংখ্যা ৬৮ জন।
হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১,৪২১ জন নতুন রোগী। এর মধ্যে ৯৫৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে (৪০৪ জন), আর সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর বিভাগে। গত এক মাসে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২,২০৮ জনে।
টিকাদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্যঝুঁকিঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশকে হামের জন্য 'উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ' দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী ১৮ মিলিয়ন শিশুকে টিকার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭৩ লাখের বেশি শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম পরবর্তী নানা শারীরিক জটিলতা শিশুদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।