ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি, এবারের সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। এর মধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা এবং উচ্চপদস্থ নেতৃত্বও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তেল আবিব স্পষ্ট করেছে যে, তারা ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে এবং আঞ্চলিক হুমকি নির্মূল করতে যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটনের অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে ইরান ও লেবানন সীমান্তে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখলেও, ইসরায়েলি দাবির মুখে তারা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়—সেদিকেই তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক মহল। যদিও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তবুও ইসরায়েল তাদের ‘সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা’ বজায় রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই হামলার অনুমতি দেয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য একটি দীর্ঘমেয়াদী ও ভয়াবহ যুদ্ধের কবলে পড়তে পারে। ইরানের পক্ষ থেকেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।
বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী সীমান্তে এবং আকাশপথে তাদের প্রস্তুতি জোরদার করেছে। এখন দেখার বিষয়, হোয়াইট হাউস কি শান্তির পথ বেছে নেয়, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আগুন জ্বলে ওঠার অনুমতি দেয়।