প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
আজ দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা এই মনোভাব ব্যক্ত করেন। তারা জানান, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিএনপি সবসময়ই আলোচনার পথ খোলা রাখতে চায়।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "বিএনপি সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। যদি কোনো আলোচনা দেশের মানুষের কল্যাণ বয়ে আনে এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করে, তবে আমরা সেই আলোচনায় অংশ নিতে দ্বিধাবোধ করব না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হবে যেকোনো আলোচনার মূল ভিত্তি।
লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, "আমাদের লড়াই কোনো বিশেষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং দেশের মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। এই বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপি যেকোনো ত্যাগ স্বীকার এবং প্রয়োজনীয় সংলাপে বসতে প্রস্তুত।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই অবস্থান দেশের উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচন সামনে রেখে যখন বড় দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে, তখন বিএনপির এমন 'ওপেন ডোর' পলিসি নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিএনপি কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেই রাজপথে আন্দোলন করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে যেকোনো ইতিবাচক সংলাপকে স্বাগত জানাবে দলটি।