ডিএনসিসির সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বাচলের নীলা মার্কেটের কাছে টঙ্গী খালের (লেক) দুই পাশে গাছ লাগানোর কথা বলে রাজউকের কাছ থেকে জায়গা ব্যবহারের অনুমতি নিয়েছিল সিটি করপোরেশন। রাজউক কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় এই অনুমতি দিলেও সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ সেখানে গাছ না লাগিয়ে ‘ভিভিড কনস্ট্রাকশন’ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ১৫টি ফুডকোর্ট স্থাপনের অনুমোদন দেন।
ডিএনসিসির সম্পত্তি বিভাগের নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ৩ নভেম্বর এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের শর্তে বলা হয়েছিল, গ্রিন বেল্টের সংরক্ষিত স্থানে সবুজ অঞ্চল তৈরির বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটি সেখানে ১৫টি ফুডকোর্ট পরিচালনা করতে পারবে। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের দাবি, সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সরাসরি ইচ্ছাতেই ব্যক্তিমালিকানাধীন ওই প্রতিষ্ঠানকে এই কাজ দেওয়া হয়েছিল। যুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছিল যে, সবুজায়নের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ তুলতেই ফুডকোর্টের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তবে (রাজউক) সূত্র বলছে, গাছ লাগানোর জন্য বা সবুজায়নের জন্য লিজ নেওয়া বা ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া জায়গায় কোনোভাবেই বাণিজ্যিক দোকান বা ফুডকোর্ট বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ নেই। এটি রাজউকের নীতিমালার পরিপন্থী।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে এক বছরের জন্য ডিএনসিসির প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তাঁর মেয়াদের অবসান ঘটে। তাঁর সময়ে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি এখন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে এবং রাজউকের জায়গায় অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।